কেদারনাথ মন্দিরটি হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান৷ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩হাজার ৫৮৩মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই মন্দিরটি৷ ভারতের উত্তরাখন্ডের গাড়োয়াল পর্বতে মন্দাকিনী নদীর তীরে অবস্থিত এই শিব মন্দিরটি৷ তবে, শীতকালে কেদারনাথ মন্দিরটি বরফে ঢাকা পড়ে যাওয়ায় মূর্তিগুলিকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়৷   কি আছে তারাপীঠ মহাশ্মশানে? কৌশিকী অমাবস্যার মূল রহস্য কথিত আছে, আদি শঙ্কর বর্তমান স্থানে মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন৷ একটি বিখ্যাত জ্যোতির্লিঙ্গের জন্যই এই মন্দিরটি বিখ্যাত৷ পাণ্ডবেরা এখানে তপস্যা করেই শিবকে তুষ্ট করার জন্য এখানে শিবের পূজা করেন৷ যদিও মহাভারত মহাকাব্যেও এই মন্দিরটির উল্লেখ রয়েছে৷ এটি উত্তর হিমালয়ের ছোট চারধাম তীর্থযাত্রার অন্যতম৷ এই কেদারনাথ মন্দিরটিকে ঘিরেই রয়েছে বেশ কিছু তথ্য যা সকলেরই অজানা৷ ১) কেদারনাথ মন্দিরে একটি ত্রিভুজাকৃতিRead More →

তারাপীঠের রথে অধিষ্ঠাত্রী থাকেন ‘মা তারা’। রবিবার যথাযোগ্য মর্যাদায় মা তারাকে ওই রথে বসিয়ে ঘোরানো হয় তারাপীঠ। ঐদিন মধ্যাহ্ন ভোগের পর বিকেল তিনটের সময় রীঁ মাকে গর্ভমন্দির থেকে বের করে, রথে প্রতিষ্ঠা করা হয়। মাকে রাজবেশে সাজিয়ে তুলে মায়ের রথযাত্রার আরম্ভ হয়। মন্দিরের প্রধান প্রবেশদ্বার থেকে শুরু হয়ে, দ্বারকা ব্রিজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড, তারাপীঠ থানা হয়ে পূর্বসাগর মোড় তারপর তিনমাথা মোড় হয়ে পুনরায় পূর্বসাগর মোড়ে এসে রথযাত্রার সমাপ্তি ঘটে। কি আছে তারাপীঠ মহাশ্মশানে? কৌশিকী অমাবস্যার মূল রহস্য 🎈 মাকে মূল মন্দিরে নিয়ে এসে শুরু হয় সন্ধ্যারতি। এবছরও একইভাবে এই বিশেষ দিনটিকে পালন করা হযেছে। মায়ের রথ থেকে ভক্তদের উদ্দেশে প্যাড়া, বাতাসা নকুলদানা ইত্যাদি মহাপ্রসাদ স্বরূপ বিতরণRead More →

তারাপীঠ মহাশ্মশানের কথা কি আছে তারাপীঠ মহাশ্মশানে? তারাপীঠ মহাশশ্মানে প্রতিদিন শবদেহ দাহ কার্য্যের জন্য আসবেই। যতই প্রাকৃতিক দূর্যোগ যেমন খুব বন্যা হলেও এই মহাশ্মশানে দিনে একটি হলেও শব দাহের উদ্দেশ্যে আসতে দেখা যায়। দ্বারকা নদীর পাশ্ববর্তী মহাশশ্মান হওয়ার কারণে বর্ষার সময় বন্যা এলে পুরো মহাশশ্মানে জল পুরো ভর্তি হয়ে থৈথৈ করে কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে কখনোই কোন ভাবেই চিতা ডোবেনা॥ স্থানীয় কথায় শিবা ভগ তলায় বা মহাশশ্মানের শ্বেত শিমুল গাছ তলায় এক এবং অদ্বিতীয় পঞ্চমুন্ডির আসন অবস্থিত । এই আসনে বসেই সাধনা করে বশিষ্ট মুনি ও গুরু বামদেব সিদ্ধিলাভ করেছেন। কথিত আছে যে মা তারার শিলামূর্তি টি এই শ্বেত শিমুল গাছের নিচেই পাওয়া যায়। মহাশশ্মানের মধ্যেRead More →

কৌশিকী অমাবস্যা, অন্য সব অমাবস্যার থেকে একটু আলাদা কারণ তন্ত্র মতে ও শাস্ত্র মতে ভাদ্র মাসের এই তিথি টি একটু বিশেষ কারণ অনেক কঠিন ও গুহ্য সাধনা আজকের দিনে করলে আশাতীত ফল মেলে, সাধক কুন্ডলিনী চক্র কে জয় করে,বৌদ্ধ ও হিন্দু তন্ত্রে এই দিনের এক বিশেষ ‘মহাত্ব আছে, তন্ত্র মতে আজ এই রাত কে তারা রাত্রি বলাহয় ও এক বিশেষ মুহুর্তে স্বর্গ ও নরক দুই এর দুয়ার মুহুর্তের জন্য উম্মুক্ত হয় ও সাধক নিজের ইচ্ছা মতো ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক শক্তি নিজের সাধনার মধ্যে আত্মস্থ করে, ও সিদ্ধি লাভ করে চন্ডি তে বর্ণিত মহা সরস্বতী দেবীর কাহিনী তে বলা আছে, পুরাকালে একবার সুম্ভ ও নিসুম্ভ কঠিনRead More →