অ-ভূত অ-পূর্ব: তারপীঠে তান্ত্রিকের হোম এবং আশ্চর্য আরোগ্য

কলকাতায় আটটা মানে সন্ধ্যা, তারাপীঠে কিন্তু তা মধ্যরাতের আমেজ আনে। চারদিকে সূচিভেদ্য অন্ধকার, অন্তত আমি কিছুই দেখতে পাচ্ছিলাম না। ঈষৎ জড়িত কন্ঠে ‘জয় মা ত্তারা’-র কোরাস কানে আসছিল আর দূরে দূরে চিতার দপদপে আগুন।




এক সন্ধ্যায় আমার ঘরে আড্ডা চলছে, তান্ত্রিক হঠাৎ বললেন—স্যর, তারাপীঠ গেছেন ?
— না।
 — যেতে চান?
কী উত্তর দেবো! তারাপীঠ তো আমার কাছে এক আলো-আঁধারির রহস্যপুরী। স্কুলে পড়ার সময়ে প্রমোদ চট্টোপাধ্যায়ের ‘তন্ত্রাভিলাষীর সাধুসঙ্গ’ পড়ে ফেলেছিলাম। তারাপীঠের মহাশ্মশানের বিচিত্র কাণ্ডকারখানা মনে দাগ কেটে গিয়েছিল। অনেকটাই হয়তো বুঝিনি, কিন্তু সে বয়সে না-বোঝারও একটা আকর্ষণ থাকে। অনেকবার ভেবেছি ঘুরে আসবো, কিন্তু জীবনের আধখানার বেশী তো বাংলার বাইরেই কেটে গেল। বললাম, যাওয়ার ইচ্ছে তো খুবই আছে, কিন্তু...
— ব্যস,ব্যস, আর কিছু বলতে হবে না। আপনার যাওয়া, থাকা, খাওয়া— সব দায়িত্ব আমার। ও তল্লাটে আমার বহুদিনের যাতায়াত জানেন হয়তো।
জানতাম। তান্ত্রিকের ভাগনের কাছেই শুনেছিলাম যে, তার মামাকে প্রায় প্রতি শনিবারই তারাপীঠ যেতে হয়। তাঁর উপার্জনের মূল উৎস ওখানেই, তিনি যে হোমযজ্ঞ করেন, তার মজুরি এগারো থেকে একান্ন হাজার, কেসের গুরুত্ব অনুযায়ী। শুনে রোমাঞ্চ হয়েছিল।
তান্ত্রিকের যে কথা, সেই কাজ। কয়েকদিনের মধ্যে সকালে এক ঝাঁ-চকচকে ইনোভা গাড়ি নিয়ে তিনি হাজির হলেন। যাত্রী আমরা তিনজন আর এক বিশালদেহী উত্তরভারতীয় যুবক, ধরা যাক তার নাম বিজয়। দিনটা সম্ভবত শুক্রবার ছিল। যুবকের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তান্ত্রিক বললেন, ‘আমার ক্লায়েন্ট, ওর জন্য একটা ছোটো হোম করতে হবে’। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝলাম এ তাঁর এক মুখ্য ভক্ত, সারাক্ষণ সে গরুড়পাখির মত হাত জোড়  করে আছে। ছেলেটির ভাল ব্যবসা আছে, অর্থাৎ তান্ত্রিকের রসদদার।
আমাদের তারাপীঠ পৌঁছতে রাত হয়ে গেল, তাই সে রাতে দেবীদর্শন ছাড়া আর কিছু হয়নি। তান্ত্রিকের ব্যবস্থা ভালই। শুধু যে সরকারি অতিথিশালায় আমাদের থাকার আয়োজন করা হয়েছিল, সেটি মন্দির থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার দূরে, কিন্তু সঙ্গে গাড়ী থাকায় অসুবিধা হয়নি।
পরের দিন সকালে আমরা স্নান করে বেরোলাম। পথে একটু অপ্রত্যাশিত এডভেঞ্চার হয়ে গেল। তারাপীঠের পথেই পড়ে আটলা গ্রাম, বামদেবের, মানুষ যাঁকে সাধক বামাক্ষ্যাপা বলে, জন্মভূমি। তান্ত্রিক গাড়ী থামালেন একেবারে বামদেবের ভিটার সামনে. দেখলাম ঐ পরিবারের লোকজনদের তিনি ভালই চেনেন।
আমরা দাওয়ায় গিয়ে উঠলাম। অতি জীর্ণ দরিদ্রের পর্ণকুটির, কোথায়ও কোন বাহুল্য নেই। উঠোনে বাবার ছবি ও মূর্তি ছাড়াও তাঁর ব্যবহৃত কয়েকটি জিনিষ সাজানো রয়েছে— একটি জীর্ণ রেশমের চাদর, একজোড়া খড়ম আর একটি লাঠি। আমার স্ত্রী নীচু হয়ে খড়ম স্পর্শ করে প্রণামের চেষ্টা করতেই দেখলাম তিনি টলতে টলতে পড়ে যাচ্ছেন। আমি কিছু বোঝার আগে পিছন থেকে ব্যূঢ়োরস্ক বৃষস্কন্ধ বিজয় তার শালপ্রাংশু বাহু দিয়ে তাঁকে ধরে মাটির ওপর দাঁড় করিয়ে দিল।  তিনি বিবর্ণ মুখে আমাকে বললেন, জীবনে এ রকম অভিজ্ঞতা হয়নি। খড়মটা ছুঁতেই মনে হল শরীরের মধ্যে দিয়ে  কয়েক হাজার ভোল্টের কারেন্ট পাস করে গেল। চারদিক অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল...

তান্ত্রিক বললেন, আপনার ওপর বামদেবের অসীম কৃপা যে আপনি বেঁচে গেছেন। ওই শক্তি কি আমরা ধারণ করতে পারি ?
গৃহকর্তা ও বাড়ীর অন্যান্য লোকজন অপ্রতিভ ও অপরাধী বোধ করছিলেন। তাঁদের নানাভাবে আশ্বস্ত করে এবং ঝকঝকে কাঁসার গ্লাসে দেওয়া ঠান্ডা, মিষ্টি কুয়োর জল আর দুটি করে সাদা বাতাসা উদরস্থ করে আমরা গাড়ীতে উঠলাম। এবার ডেস্টিনেশন তারাপীঠ।



তারাপীঠে ঢুকে তান্ত্রিক টুরিস্ট গাইড হয়ে গেলেন। আমাদের ঘুরে ঘুরে দ্বারকা নদী, জীবিত কুণ্ড, বামদেবের সাধনাস্থল— সব দেখিয়ে দিলেন, দু-একজন পূজারীর সঙ্গে আলাপ হল। তাঁর ব্যবস্থাপনায় মন্দির থেকে আমাদের জন্য মায়ের ভোগও এসে গেল। বেলা পড়তে চলেছে, তান্ত্রিক আমাকে একান্তে ডেকে বললেন— স্যর, রাতে হোমে বসবেন ?
ব্যাপারটা কী, তাই জানিনা, জবাব দেবো কি? আমতা আমতা করে বললাম, দেখুন, আমি তো ঠিক প্রস্তুত হয়ে আসিনি, তাই বুঝতে পারছি না।
তিনি হাঁ হাঁ করে উঠলেন, টাকাকড়ির কথা আপনি একদম ভাববেন না। আমি আজ এসেইছি বিজয়ের জন্য হোম করতে। আপনি আমার পাশে বসে থাকবেন, যেমন বলবো তেমনি মন্ত্রোচ্চারণ করবেন, আর কিছু করতে হবে না।
আমি বললাম, তা হলে ঠিক আছে, আমি বসবো। তবে দয়া করে আমার বডির মধ্য দিয়ে কারেন্ট পাস করাবেন না, তাহলে ঐ শ্মশানেই শুয়ে থাকতে হবে...
হা হা করে হেসে তান্ত্রিক বললেন, কোন চিন্তা করবেন না স্যর,বসে দেখুন, হয়তো আপনার ভালোই লাগবে. তাঁর চোখের কোণে এক চিলতে হাসি যেন ঝিলিক দিয়ে উঠলো।
রাত আটটা নাগাদ তারাপীঠের মহাশ্মশানে আমরা চলতে শুরু করলাম। কলকাতায় আটটা মানে সন্ধ্যা, তারাপীঠে কিন্তু তা মধ্যরাতের আমেজ আনে। চারদিকে সূচিভেদ্য অন্ধকার, অন্তত আমি কিছুই দেখতে পাচ্ছিলাম না। ঈষৎ জড়িত কন্ঠে ‘জয় মা ত্তারা’-র কোরাস কানে আসছিল আর দূরে দূরে চিতার  দপদপে আগুন। তান্ত্রিক আর বিজয় স্বাভাবিক পদক্ষেপেই হাঁটছিল, অর্থাৎ এই পথ তাদের বহুপরিচিত। আমার একখানা হাত বিজয়ের বজ্রমুষ্টিতে, সুতরাং আমাকে তার সঙ্গে পা মেলাতেই হচ্ছিল। তান্ত্রিক আমার স্ত্রীর পথনির্দেশ করছিলেন।
অল্পক্ষণ পরে আমরা একটি মাঠকোঠার নীচে এসে দাঁড়ালাম। মাটি থেকে আন্দাজ দেড়তলা ওপরে একটি ছোট ঘর, সেখানে আলো জ্বলছে. ঘরে ঢোকার জন্য কিন্তু সিঁড়ির কোনও ব্যাপার নেই, অনেকগুলো সিমেন্টের বস্তা স্তূপাকারে রয়েছে, তাদের উপরে পা ফেলে ফেলে উর্ধ্বগমন করতে হবে। বিজয় আমাকে একরকম বহন করেই ওপরে তুললো। বস্তা যেখানে শেষ হয়েছে সেখানে সিমেন্টের একফালি ল্যান্ডিং, সেখানেই জুতো রাখার ব্যবস্থা। জুতো ছেড়ে আমরা ঘরের মধ্যে ঢুকলাম।
ঘরটি ছোটই, দরজা এবং তার বিপরীতে একটি ছোট জানলা ছাড়া বায়ু চলাচলের কোনও পথ নেই। মাঝখানে একটি কুণ্ড অর্থাৎ একটি মাঝারি সাইজের গহ্বর, তার ভিতর আগুন জ্বলছে, জ্বালানি হিসাবে রয়েছে কয়েকটি কাঠের গুঁড়ি। পরে শুনেছিলাম, সেগুলি কোনও চিতা থেকে আহরিত। কুণ্ডের চারদিকে পূজার সামগ্রী ও দশমহাবিদ্যা এবং অন্যান্য দেবদেবীর ছবি। কুণ্ডের মধ্যে একটি ঝকঝকে ত্রিশূলও ছিল। এক প্রবীণ পূজারী-টাইপের লোক সেখানে বসেছিলেন। বুঝলাম ইনিই কুণ্ডের জিম্মাদার।

আমাদের তান্ত্রিক এর মধ্যে রক্তবস্ত্র পরে ফিট হয়ে গিয়েছেন। কুণ্ডের মুখোমুখি তিনি বসলেন, তাঁর দুপাশে  বিজয় আর আমি মাটিতে জোড়াসন হয়ে বসলাম। আমার স্ত্রী সিট পেলেন জানলার নীচে অর্থাৎ তিনি সোজা কুণ্ড, দরজা এবং তার বাইরে সিমেন্টের বস্তা পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছিলেন।
আসর তৈরি, এবার শো শুরু হলেই হয়। হঠাৎ কয়েকটি স্থানীয় ছেলে এসে ঢুকলো। আমার পাপমন, আমি ভাবলাম হোমের আগে বোধ হয় তোলা দিতে হয়, কিন্তু ছেলেগুলি খুব ভদ্রভাবে জানতে চাইলো— এই কুণ্ডে কতক্ষণ কাজ হবে এবং উত্তর পেয়ে ততোধিক ভদ্রভাবে নমস্কার করে চলে গেল।
তান্ত্রিক কাজ শুরু করলেন। প্রথমেই কুণ্ডে ধুনো প্রভৃতি দাহ্যপদার্থ ঢেলে আগুনটাকে চাঙ্গা করে তুললেন, তার পর হোম শুরু হল। হোমের শুরু অবশ্য গতানুগতিক ভাবে, আমাদের নাম-গোত্র ইত্যাদি জেনে নেওয়া হল, তার পর তিনি মন্ত্রোচ্চারণ শুরু করলেন উচ্চ কণ্ঠে। তার পর দেখলাম তিনি মন্ত্র পড়তে পড়তে  হাতদুটি নাড়তে লাগলেন। একটু পরে লক্ষ্য করলাম—  আগুন তাঁর হাতদু’টির গতিবিধি অনুসরণ করছে, হাওয়ার গতিপথ নয়। একবার তিনি হাত তুললেন, শিখাগুলি প্রায় পাঁচ ফুট ওপরে লকলকিয়ে উঠলো,  হাত নামাতেই আগুন কুণ্ডের মধ্যে অন্তর্ধান করলো। মাঝে মাঝে আমরা কুণ্ডে আহুতিও দিচ্ছিলাম, কলা, পেয়ারা ও কুল জাতীয় ছোট ফল।  প্রায় দেড় ঘণ্টা এভাবে চলল। তার পর তিনি প্রণাম করে উঠে দাঁড়ালেন, আমিও তাঁর দৃষ্টান্ত অনুসরণ করতে গেলাম, কিন্তু অনভ্যাস এবং অতক্ষণ কঠিন মাটিতে পা মুড়ে বসে থাকার জন্য পা দু’টি বিদ্রোহ করলো, অনেক কসরৎ করে দাঁড়াতে পারলাম।  দেখলাম, আগুন একেবারে কুণ্ডের নীচে ধিকিধিকি জ্বলছে।  তান্ত্রিক বললেন, একটু পরখ করি কাজটা ঠিক হল কি না-বলে একটা হুইস্কির বোতল (তন্ত্রঘটিত যে কোন ক্রিয়ায় ঐ বস্তুটির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক) খুলে ভেতরের তরল কুণ্ডের মধ্যে ঢেলে দিলেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কুণ্ড থেকে শীৎকার আর গোঙানির মাঝামাঝি একটা বিচিত্র শব্দ শোনা গেল। আমি চমকে উঠে বললাম— ওটা কি হল?
তান্ত্রিক হাসিমুখে বললেন— আগুন কেঁদেছে, আমাদের অপারেশন সাকসেসফুল। চলুন, এবার যাওয়া যাক।
কিন্তু যাওয়ার আগে আরও কিছু ঘটা বাকি ছিল। ঘর থেকে বেরিয়ে জুতো পরতে গিয়ে দেখা গেল সকলের সব কিছু ঠিক থাকলেও আমার পাদুকা দু’টি অন্তর্ধান করেছে. কুণ্ডের রক্ষক বিজনবাবু অপ্রতিভ হয়ে বললেন— কেউ কি এসে তুলে নিয়ে গেল?
বিজয় বলল, যে ছেলেগুলো এসেছিল, তাদের কাজ নয় তো!
আমার স্ত্রী  প্রতিবাদ করে বললেন, অসম্ভব। আমি তো দরজার দিকে মুখ করে বসেছিলাম, ওরা সোজা নেমে চলে গিয়েছে, এক সেকেন্ডের জন্যও থামেনি। আর তার পরে কেউ উপরে ওঠেনি, আমি বাজি রেখে বলতে পারি।
তান্ত্রিক আমাকে বললেন, জুতোটা চামড়ার ছিল তো ? নাকি কাপড় বা সোয়েডের?
আমি বললাম, পাতি চামড়ার চটি, বড় দোকানেরও নয়।
তান্ত্রিক অন্যমনস্ক হয়ে বললেন, হুঁ, চামড়া আর চটি মানে নিম্নাঙ্গ। চিন্তা করবেন না, আপনার পা ঠিক হয়ে যাবে(তা অবশ্য হয়নি, তবে খারাপও হয়নি)। এখন আপনি বিজনদার হাওয়াইটা পরে বেরোন, দেখা যাক কী ব্যবস্থা করা যায়। তান্ত্রিকের মোবাইল সক্রিয় হয়ে উঠলো। মন্দিরের আশেপাশে দোকানের লাইন, সেখানের এক জুতোর দোকানের ঝাঁপ খুলিয়ে রাত সাড়ে দশটায় আমার জুতো কেনা হল। তন্ত্রের মহিমা অপার।



গেস্টহাউসে ফিরে তান্ত্রিক বললেন, স্যর, ওরা খাবার গরম করতে করতে একটা ছোট্ট রাউন্ড হয়ে যাক।
আমি বললাম, নিশ্চয়ই, আজ আপনি এত পরিশ্রম করলেন, you deserve it।
বিজয় গ্লাসে সোডা ঢালছিল, হঠাৎ লাফিয়ে উঠে বলল, ভাবীজী,ভাবীজী, শুনিয়ে! দাদা কী আওয়াজ তো বিলকুল সাফ হো গ্যয়া, সব কুছ সমঝ আ রহা হৈ!
একটু টীকা প্রয়োজন. দু হাজার পাঁচ সালে ব্রেনে হেমরেজের পর অনেকদিন আমার কথা বন্ধ ছিল। অবশেষে তা ফিরে এলো কিন্তু ঘোরতর বিকৃত ও বিকলাঙ্গরূপে। মানে কথাগুলো দলা পাকিয়ে, জড়াজড়ি করে বেরিয়ে আসতো, আমার স্ত্রী আর মেয়ে ছাড়া কেউ তা বুঝতো না। আমি তাই কথা বলাই কমিয়ে দিয়েছিলাম, এখনো আবশ্যক না হলে বলি না। সে রাত্রে বীরভূমের ওই গেস্টহাউসে সব হিসাব বদলে গেল। সেদিন বহু রাত পর্যন্ত সাধ মিটিয়ে কথা বলেছিলাম। মনে আছে, পরের দিন মুম্বাইয়ের এক বন্ধুকে ফোন করেছিলাম, তিনি বিশ্বাস করেননি যে আমি কথা বলছি।
প্রাতরাশের টেবিলে তান্ত্রিক বললেন, এখন বুঝলেন তো কেন হোমে বসতে বলেছিলাম।
আমার স্ত্রী  কৃতজ্ঞতা জানাতে তাঁর মুখটা উদাস হয়ে গেল। বললেন, বেশি বলবেন না ম্যাডাম, এটা কিন্তু থাকবে না। কলকাতায় ফিরতে ফিরতেই দেখবেন সব আগের মত হয়ে গিয়েছে। আপনাদের বিশ্বাস জন্মাবার জন্য ওটা দরকার ছিল। বলতে বলতে তিনি সোজা হয়ে বসে বললেন, কিন্তু মনে হয় আমি পথটা পেয়ে গিয়েছি. আবার আপনাকে নিয়ে আসবো স্যর, আপনাকে পুরো সুস্থ করে তুলবো। সেটা এ রকম চিটিংবাজী হবে না।
(ক্রমশ)

Thank You Ebela
© ebela.in

Tarapith. Powered by Blogger.